আউটসোর্সিংয়ে আঞ্চলিক সহযোগিতায় গুরুত্ব দিলেন পলক
করোনা পরবর্তী সময় নাগরিকদের জীবন যাত্রায় নতুন মাত্র যোগ করবে এবং দেশের বিপিও খাতের জন্য চ্যালেঞ্জ নয়, আশীর্বাদ হয়ে উঠেবে বলে মনে করছেন খাত সংশ্লিষ্টরা।
শনিবার ইন্টারন্যাশনাল অনলাইন বিপিও কনফারেন্সে এমন আশাবাদ ব্যক্ত করেন বক্তারা।
কোভিড উত্তর সময়ে বিপিও খাতের প্রস্তুতি নিয়ে আয়োজিত অনলাইন বৈঠকে এই সুযোগকে কাজে লাগাতে আঞ্চলিক শক্তিকে কাজে লাগানোর পরামর্শ দিয়েছেন তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী ।
তিনি বলেন, পশ্চিমা বিশ্বে আমাদের অবস্থান আরো সুসংহত করতে আমরা আরো বেশি আঞ্চলিক জোট গঠনে গুরুত্ব দিচ্ছি। কেননা থাইল্যান্ড, জাপান, মালোয়েশিয়া এবং ভারতের ‘টাইম জোন’ এর সঙ্গে আমাদের ব্যবধান খুবই কম। তাই এই ব্যবধানকে পশ্চিমা দেশগুলোর জন্য কাজ করার দারুণ সম্ভবনা রয়েছে। একে অপররের মধ্যে সহযোগিতা বাড়িয়ে করোনা কালে ও করোনা পরবর্তী সময়ে আমরা আরো নতুন নতুন সুযযোগ তৈরি করতে পারবো। এই সুযোগ কাজে লাগাতে আমাদের ৭০ শতাংশের বেশি ত্রিশোর্ধ্ব তরুণদের প্রযুক্তি দক্ষ জনশক্তিতে রূাপন্তর করতে আইসিটি বিভাগ কাজ করেছে।
বৈঠকে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বোসটিং কনসালটেশন গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নিতিন চান্দালিয়া।
কাজি আইটি সেন্টারের সিইও জারা মাহবুবের সঞ্চালনায় বৈঠকে অন্যান্যের মধ্যে অংশ নেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব এ এইচ এম শফিকুজ্জামান, কনটাক্ট সেন্টার অ্যাসোসিয়েশন অব মলোয়েশিয়ার প্রেসিডেন্ট রেমন্ড দেভাদাস, থাই কন্টাক্টসেন্টার ট্রেড অ্যাসোসিয়েশন প্রেসিডেন্ট সারুন ভেসুপাপোর্ন, মাস্টারপিস গ্রুপের চেয়ারম্যান ওসামু সাতু এবং বাক্কো প্রেসিডেন্ট ওয়াহিদ শরীফ ও সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ হোসেন।